ঢাকাসোমবার , ২৯ নভেম্বর ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আবারো নিজের ভোটটিও নিজে পেলেন না ইউপি সদস্য প্রার্থী!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
নভেম্বর ২৯, ২০২১ ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি ভােটও পাননি রামখানা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী টিউবওয়েল প্রতীকের নজরুল ইসলাম। তার ফলাফল পত্রে ভােটের সংখ্যা শূণ্য। ভােটে ফলাফলের বিষয়টি আলােচনার জন্ম দিয়েছে এলাকায়। পরে ভােট পুনঃগণনার আবেদন করেন প্রার্থী।

তৃতীয় দফায় ২৮ নভেম্বর রামখানাসহ উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভােট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওই ইউনিন ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য পদে টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নাখারগঞ্জ পশ্চিম রামখানা দেওয়ানটারী গ্রামের ইজ্জতুল্ল্যার ছেলে নজরুল ইসলাম। প্রতীক প্রাপ্তির পরে বিজয়ী হতে অন্যান্য প্রার্থীর মতো কর্মী- সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণা চালান তিনি। করেন উঠান ও খুলি বৈঠক। সবার মতই নিয়মিত দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত করেন প্রচারণা। পোস্টার লাগানাে হয় ওয়ার্ডের সবখানে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভােট প্রার্থণা করেন তিনি। সবশেষ ভােটের দিন কেন্দ্রে টিউবওয়েল প্রতীকের ১জন এজেন্টও ছিল।

অথচ রোববার (২৮ নভেম্বর) ভোটের দিন গণনা করে দেখা যায় তিনি একটি ভােটও পাননি। এতে দেখা যায়, নিজের পাশাপাশি তার স্ত্রী, সন্তানসহ আত্মীয়স্বজন, তার শুভাকাঙ্ক্ষী, কর্মী- সমর্থক ও এজেন্ট কেউই কি তাকে ভােট দেয়নি। এ নিয়ে আলােচনা-সমালোচনা চলছে সর্বত্র। সবার মুখে মুখে প্রশ্ন উঠেছে প্রার্থীর নিজের ভােট গেলো কােথায়?

ভােটের ফলাফলের হিসেব মিলাতে পারছেন না প্রার্থী নজরুল ইসলাম নিজেও। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমি মর্মাহত। অপ্রত্যাশিত এ ফলাফল শােনার পর আমি মানসিকভাব দুর্বল হয়ে গেছি। লজ্জায় বাইরে যেতে মন চায় না। কাল থেকে নিজেকে আমি প্রায় ঘরবন্দি করে রেখেছি। ভােটের কথা মনে উঠলেই আমার কান্না আসছে। যদি কর্মী- সমর্থকরা আমাকে ধোঁকা দেয় তারপরও আমি, আমার স্ত্রী মহরা খাতুন, বড় ছেলে মফিজুল ইসলাম, তার স্ত্রী কল্পনা খাতুন, মেজো ছেলে এনামুল হক, পুত্রবধূ ফরিদা বেগমসহ রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় স্বজনরা ভােট দিলে অন্তত দেড়শত হতে দুইশ ভােট পাবার কথা। সেখান শুন্য ভােট হয় কিভাবে?

আমি এটা মেনে নিতে পারছিনা। এ ফলাফল আমি পুরােপুরি বেইজ্জত হয়ে গেছি। তাই রাতেই আমি সংশ্লিষ্ট অফিসে ভােট পুন: গণনার আবেদন করেছি। উপজেলা নির্বাচন অফিসার আনােয়ার হােসেন আবেদন পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, এটি আইনিভাবে মােকাবেলা করার জন্য তাকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন