ঢাকাবুধবার , ২৫ আগস্ট ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সরকারি রাস্তা ঘেরাও, বাপ-মা নেই দোলাপাড়া রাস্তার!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
আগস্ট ২৫, ২০২১ ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শফিকুল ইসলাম অবুঝ, নিজস্ব প্রতিবেদক।।গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দোলাপাড়া গ্রামের রাস্তাটি দহবন্দ এবং তারাপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী হওয়ায় দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় হাঁটু সমান কাঁদা হওয়ায় গ্রামবাসীদের পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ।

প্রায় ১ যুগ ধরে বর্ষা মৌসুম এলেই গ্রামবাসী রাস্তায় ইটের খোয়া নিজ উদ্যোগে ফেলে দুর্ভোগকে ভাগ্য বলে মেনে নিয়ে চলাফেরা করছেন। অন্যদিকে বাড়ির সামনে সরকারি রাস্তার মাঝখানে বাঁশের খুটি গেড়ে এলাকাবাসীর সাথে সংঘর্ষের সৃষ্টি করে সুমন মিয়া।

উপজেলার মীরগঞ্জ বাজার হয়ে চৌধুরানী-রংপুর মহসড়কের পাশে দহবন্দ ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের সহিদার মিয়ার মুদি দোকানের পাশ দিয়ে মজিদ ব্যাপারীর বাড়ীর সামন দিয়ে তারাপুর ইউনিয়নের প্রবেশ দার থেকে প্রায় ২ কিঃমিঃ কাচা রাস্তা দুই ইউনিয়নের সিমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এখানে নেই কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া।

অথচ এ রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাফেরা করে হাজার হাজার মানুষ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় যানবাহন।

এদিকে রাস্তায় কাঁদা জমে থাকায় ফুল মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া এবং মহুবরের ছেলে আনিসুল মিয়া ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তাদের বাড়ির সামনের রাস্তায় খুটি গেড়ে এলাকাবাসীর চলাফেরা বন্ধ করে রাখে।

এলাকার শফিকুল ইসলাম বাঁধা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশ চলে গেলে সুমন মিয়া এবং আনিসুল আবারও তার বাড়ির উঠানের সামনে বাঁশ দিয়ে ঘেরাও করে।

অন্য দিকে এলাকাবাসী জানান,মনে হয় এ রাস্তার কোনো বাপ, মা নেই। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কিংবা উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ ১৩ ফুট রাস্তা সংস্কারে গুরুত্ব না দেওয়ায় রাস্তাটি এখন ৮ ফুটে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের দরজায় দরজায় ঘুরেও সাধারণ জনগণ এখনো মুখ দেখে নি কোনো উন্নয়নের।

এ বিষয়ে তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম মুঠোফোনে জবাবে জানান,রাস্তাটি সম্ভবত দহবন্দ ইউনিয়নের। এলাকাবাসীকে পাঠিয়ে দিয়েন,পরামর্শ করে ব্যবস্থা নেব। অপরদিকে দহবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম কবিরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করে নি।

আপনার মন্তব্য লিখুন