ঢাকাসোমবার , ১৩ ডিসেম্বর ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাইবান্ধায় রাস্তার কার্পেটিং এ অনিয়মের অভিযোগ!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মীরপুর থেকে কান্তানগর পর্যন্ত প্রায় ৮ কিমি. রাস্তা পাকা করণে অনিয়মের অভিযোগ তুলছেন এলাকাবাসী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৩ নম্বর পুরাতন ইটের খোয়া এবং মাটি মিশ্রিত মসলা রাস্তায় ঢালা হচ্ছে। দেখা যায় শুধু ৩ নাম্বার ইটের খোয়াই না, রাস্তায় অনেকদিন কাজ স্থগিত থাকার ফলে তৈরি হওয়া গর্তগুলো ইটের গুড়া আর মাটি দিয়ে পূরণ করাও হচ্ছে।

রাস্তার পাশে বিছানো হেডিং ইটগুলো ১০ ইঞ্চি দেওয়ার কথা এবং মাটির উপরিভাগে ৩”থেকে ৪” থাকার নিয়ম তা বেশিরভাগ জায়গাতেই বিন্দু পরিমাণ নেই বল্লেই চলে। এসব ইট কোথাও আলগা করে দেয়া হচ্ছে কোথাওবা আবার মাটির সাথে দাবিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সরজমিনে দেখা যায়, কর্মীরা যখন রাস্তা পরিষ্কার করে তখন রাস্তা থেকে শুধু মাটি আর ইটের ধুলা বের হয়ে আসে। রাস্তাটি প্রায় ১২ বছর ধরে সংস্করণ হীন ছিল। হটাৎ করে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে যায়।

এলাকাবাসী জানায়, আমরা রাস্তার কাজ ভালো চাই, রাস্তা যেনো মজবুত ও শক্ত হয় আমরা সেই ব্যাবস্থাই চাই। চলমান এই রাস্তাটি দিয়ে জেলা এবং হাইওয়ের বড় ট্রাক যাওয়া-আসায় দ্রুত রাস্তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় এলাকাবাসী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শ্রমিক জানায়, ৪০ এম এম কার্পেটিং থাকার হবে ওয়ার্ক অর্ডারের নিয়মে বাস্তবে তার ২০ এমএমও নেই। এমনকি ঠিকাদার ম্যানেজার কেউ রাস্তা পরিদর্শনেও আসেনা। ঢাকাস্থ ম্যাক এআরসি ঠিকাদারের অধীনে কাজ করলেও অনেকেই জানেনা ঠিকাদারের বাড়ি বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম।

যেকারণে কারো কাছে অভিযোগ করাও যাচ্ছে না বলে জানান এলাকার জনসাধারণ। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলায় এল,জি,ই,ডি নির্বাহী প্রকৌশলী এ, এইচ এম কামরুল হাসান রনির সাথে কথা বলতে গেলে সকাল থেকে দিনের ২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিমের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলতে গেলে তাকেও অফিসে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রকৌশলী কামরুল আহসানের ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন কাজ ১০০% সঠিক ভাবে চলছে। এটা এজিইডির বিষয় ;সাংবাদিকদের এবিষয়ে মাথা ব্যাথা না করলেও চলবে।

এদিকে ম্যাক এআরসি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাইবান্ধায় জেলায় কর্মরত ইনচার্জ ওয়াহিদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন গাইবান্ধার সাংবাদিক ও এলজিইডি’কে মেনেজ করেই কাজ করছি। কাজের ক্ষেত্রে এদিক সেদিক হলেও সমস্যা নেই, এতে কিছু যায় আসেনা বলে জানান তিনি।
গাইবান্ধা/আরইসআর

আপনার মন্তব্য লিখুন