ঢাকাশনিবার , ২৬ নভেম্বর ২০২২
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চাচার বিরুদ্ধে ৪ বছরের ভাতিজিকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ, থানায় মামলা

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
নভেম্বর ২৬, ২০২২ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার ফুলছড়িতে চাচা জোবায়েল আহেম্মেদ (২১) এর বিরুদ্ধে চার বছর বয়সী শিশু ভাতিজিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। এঘটনায় গত ২৯ অক্টোবর রাতে ভুক্তভুগি ওই শিশুটির মা বাদি হয়ে ফুলছড়ি থানায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে একই দিন বিকেলে উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের পূর্ব উদাখালী গ্রামে এঘটনা ঘটে। তবে, ঘটনার একমাস পার হলেও এখনও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি আসামি। অপরদিকে বাদির পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়াসহ নানা ধরনের হুমকি-ধামকি দিয়েই যাচ্ছে আসামির পরিবার। অভিযুক্ত জোবায়েল ওই এলাকার আইনুল ইসলামের ছেলে। সে সম্প্রতি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন।

ভুক্তভুগির পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত জোবায়েলের বাড়ি আর ভুক্তভুগির একই বাড়ি। ভুক্তভুগি শিশুটি আর জোবায়েলের বোন একই সাথে প্রতিদিন খেলাধুলা করে। সম্প্রতি জোবায়েল সৌদি আরব থেকে বাড়ীতে ফেরেন। ঘটনার দিন (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ধর্ষনের চেষ্টার শিকার শিশুটি তার খেলার সাথী (আসামির বোন) কে ডাকতে তাদের বাড়িতে যায়। তখন আসামি জোবায়েল আহম্মেদ শিশুটিকে কৌশলে নিজ শয়ন কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষনের চেষ্টা করে। এই সময় শিশুটির কান্নার আওয়াজে তার মা ওই বাড়িতে গেলে অভিযুক্ত জুবায়েল পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাটি শিশুটির পরিবারকে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি ধামকি দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্তের পরিবার। এতে ব্যর্থ হলে মোটা অংকের টাকার প্রলোভন দেওয়া হয় শিশুটির পরিবারকে। কিন্তু মেয়েটির পরিবার কোনো বিনিময়ে রাজি না হয়ে গত ২৯ অক্টোবর রাতে জোবায়েল আহম্মেদককে একমাত্র আসামি করে ফুলছড়ি থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, মামলা দায়ের হওয়ার ২৯ দিন পেরিয়ে গেলেও আজও আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি ফুলছড়ি থানা পুলিশ। তাদের দাবি আসামি পলাতক রয়েছেন। বাদি পক্ষের অভিযোগ,আসামিরা অর্থবিত্তের মালিক হওয়ায় অদৃশ্য কারণে আসামি ধরছেনা পুলিশ।

মামলার বাদি শিশুটির মা শরীফা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আসামির বাবা আইনুল মামলা তুলে নিতে আমাকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। তার আত্মীয়-স্বজনরা বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ করতেছে। মামলার আইও সেকেন্দার দারোগা (তদন্তকারী অফিসার) আমাকেই আসামি খুঁজতে বলে। আমি আসামি কই পাবো। আমার স্বামী বিদেশ থাকে, আমি নিরুপায়। আমি অনেক ভয়ের মধ্যে আছি। এসময় দ্রুত আসামি গ্রেপ্তার করাসহ সব ধরনের নিরাপত্তা চান তিনি।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী বলেন, আসামি ধরছিনা এমন অভিযোগ ঠিক নয়।
আসামী গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। দ্রুতই আসামি ধরা পরবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন