ঢাকাশুক্রবার , ২৯ এপ্রিল ২০২২
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছেলের বান্ধবীকে বিয়ে করলেন কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
এপ্রিল ২৯, ২০২২ ৩:০৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টারঃ ছেলের বান্ধবীকে বিয়ে করেছেন কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ মেহেদী (৫৭)।

গত কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে সাঈদ মেহেদীর এই বিয়ের একটি ভিডিও। ভিডিও ভাইরাল হলেও বিষয়টি তখন ধোঁয়াশার মধ্যে রাখেন তিনি। তবে এবার এই বিয়ের কথা স্বীকার করলেন চেয়ারম্যান।

সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী মৌতলা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি উপজেলা আ.লীগের সহসভাপতি পদে দায়িত্বে রয়েছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন।

দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম তাহমিনা আক্তার মিনা (২২)। তিনি মৌতলা ইউনিয়নের আব্দুল মাজেদের মেয়ে। বর্তমানে তাহমিনা আক্তার মিনা খুলনা বিএল কলেজের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, দ্বিতীয় স্ত্রী তাহমিনা আক্তার মিনা ছিলেন সাঈদ মেহেদীর প্রথম স্ত্রীর ছেলে অনিক মেহেদীর বান্ধবী। ২০১৮ সালে মিনা ও অনিক মৌতলা শিমুরেজা এমপি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান থাকাকালীন মিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী। গত কয়েক বছর আগে তিনি ওই মেয়েকে বিয়ে করেন। বহুদিন চেয়ারম্যানের দ্বিতীয় বিয়ের কথা শোনা গেলেও বিষয়টি অস্বীকার করতেন তিনি।

দ্বিতীয় বিয়ে সম্পর্কে জানতে চাইলে কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে স্বীকার করেন। তার কোয়ার্টারে দ্বিতীয় স্ত্রী মিনা বর্তমানে অবস্থান করছেন। তাকে ৪ বছর আগে তিনি বিয়ে করেন বলে নিশ্চিত করেন।

কোয়ার্টারে মারপিট ও গালিগালাজের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, ‌আমার পারিবারিক বিষয় নিয়েও আপনার সঙ্গে বলতে হবে নাকি?’ এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে সাতক্ষীরা শহরের একটি আবাসিক হোটেলে লাবনী নামের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সদর থানায় মামলা হয়েছিল উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর বিরুদ্ধে।

আপনার মন্তব্য লিখুন