ঢাকাশনিবার , ১২ জুন ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জঙ্গি শাখাওয়াত ৩ দিনের রিমান্ডে

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
জুন ১২, ২০২১ ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | চট্টগ্রামে গ্রেফতার আনসার আল ইসলামের সদস্য শাখাওয়াত আলী লালুর (৪০) তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (১২ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম হোসেন মোহাম্মদ রেজা এ আদেশ দেন। নগর পুলিশের উপ-পরিদর্শক (কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট) রাছিব খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি বলেন, আটকের পর তাকে কারাগারে পাঠানোর জন্য আদালতে তুলে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করি। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শাখাওয়াত আলী লালু চট্টগ্রামের দামপাড়া এমএম আলী রোড এলাকার বাসিন্দা এবং শেখ মো. শমসের আলীর ছেলে।

এর আগে শুক্রবার (১১ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। ওই সময় তার কাছ থেকে একটি পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন, ট্যাব ও মিনি নোটবুক উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, শাখাওয়াত যুদ্ধ করার জন্য চার বছর আগে বাংলাদেশ থেকে সিরিয়ায় যান। এরপর গত মার্চ মাসে দেশে ফেরেন। সিরিয়া থেকে চট্টগ্রামে আসার খবরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি দেশে থাকাকালীন উল্লেখিত জঙ্গি সংগঠনের পক্ষে বাংলাদেশের জননিরাপত্তা বিঘ্ন, অস্থিতিশীল, অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার উদ্দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদী মতাদর্শ প্রচার করতেন।

পুলিশ জানায়, ২০১২ সাল থেকে তার ভায়রা ভাই আরিফ এবং মামুনদের অনুপ্রেরণায় জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তাদের সংগঠনের নেতা মোয়াজসহ (চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া), মনসুরাবাদ এলাকার হুজুর শফিক, চট্টগ্রাম লালখান বাজার এলাকার এসির দোকানের কর্মচারী ওমর ফারুকদের সহায়তায় দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্যদের সংগঠিত করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। অভিযুক্ত ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বিভিন্ন জিহাদি কার্যক্রম প্রচারের কাজে আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

জিহাদে অংশগ্রহণ করার জন্য ২০১৭ সালে তুরস্কে যায়। সেখান থেকে অবৈধ পথে সীমান্ত অতিক্রম করে সিরিয়াতে ঢুকে ছয় মাস ‘হায়াত তাহরীর আরশাম’-এর কাছ থেকে ভারী অস্ত্রশস্ত্রের প্রশিক্ষণ নিয়ে সিরিয়ার ‘ইদলিব’ এলাকায় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। পরে সিরিয়া থেকে অবৈধ পথে সীমান্ত অতিক্রম করে তুরস্কে হয়ে ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশ করেন। ইন্দোনেশিয়া থেকে শ্রীলঙ্কা হয়ে পুনরায় ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে বসবাস করেন। সেখানে বসবাসকালে জিহাদি কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন