ঢাকামঙ্গলবার , ২৪ আগস্ট ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেউতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি’র নিয়োগ বানিজ্য’র অভিযোগ

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
আগস্ট ২৪, ২০২১ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আশরাফুল হক, লালমনিরহাট।। লালমনিরহাটের দেউতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আজিজার রহমানের বিরুদ্ধে। শুধু ওই বিদ্যালয়ের সভাপতিই নন, প্রধান শিক্ষক হীরা লাল রায়ের বিরুদ্ধেও নিয়োগ দিতে চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাদের যোগসাজশে চাকরি প্রত্যাশীরা দিশেহারা হয়ে জেলা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন।

প্রাপ্ত অভিযোগ ও খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নে দেউতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় অবস্থিত। উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হীরা লাল রায় গত ১৪ জুলাই/২১ইং তারিখে জাতীয় ও অাঞ্চলিক পত্রিকায় আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেন। অন্য কেউ যাতে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি না পায় সেজন্য গোপনীয়তা রক্ষায় ১৪ জুলাই/২১ইং তারিখে জাতীয় ও অাঞ্চলিক পত্রিকার সবকপি কিনে নেন। তারপরেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর দুটি পদের বিপরীতে বেশকিছু নারী-পুরুষ আবেদন করেন। কিন্তু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আজিজার রহমান নিরাপত্তাকর্মী পদে তার ছেলে শাজাহান এবং ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হীরা লাল রায় মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময় আয়া পদে সুমি বেগমকে মনোনীত করেন।
নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার দফায় দফায় লকডাউন কার্যকর করেন। চলতি বছরের সর্বশেষ লকডাউন ১০ আগষ্ট পর্যন্ত ছিল। এ লকডাউনে সমস্ত অফিস আদালত বন্ধ ছিল। আর যদি শিক্ষা খাতের কথা বলি, তা তো খোলার কোন নাম গন্ধই নেই। তারমধ্যেও তারাহুরা করে দেয়া হয়েছে ১৪ জুলাই নিরাপত্তাকর্মী ও আয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেউতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের। কারণ নিরাপত্তাকর্মী পদে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আজিজার রহমান তার ছেলে শাজাহানকে এবং প্রধান শিক্ষক হীরা লাল রায় মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময় আয়া পদে সুমি বেগমকে নিয়োগ দিবেন। কিন্তু ২৪ আগষ্ট সভাপতি আজিজার রহমানের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ছিল। শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুয়ায়ী ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ১ মাসের কম হলে বিদ্যালয়ের সভাপতিকে আর ডিজির প্রতিনিধি মনোনয়ন করা যাবে না। ফলে তড়িগড়ি করে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আজিজার রহমান তার ছেলে শাজাহানকে এবং প্রধান শিক্ষক হীরা লাল রায় মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময় আয়া পদে সুমি বেগমকে নিয়োগ করেন।
নিরাপত্তাকর্মী পদে শাজাহান ও আয়া পদে সুমি জে.এস.সি ও জে.ডি.সি পাশ করেননি। প্রধান শিক্ষক হীরা লাল রায় টাকার বিনিময় সুকৌশলে সার্টিফিকেট তৈরি করেছেন। যা ওই সার্টিফিকেট সুত্র ধরে নিচের ক্লাসগুলো তদন্ত করলে প্রমাণ মিলবে যে, সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক কি পরিমাণ অনিয়ম করেছেন।

অপর চাকরিপ্রত্যাশী হাবিবুর রহমান বলেন, আমিও নিরাপত্তাকর্মী পদে আবেদন করেছি। কিন্তু কোন কাগজপত্র পাইনি। এখন শুনছি, নিরাপত্তাকর্মী পদে সভাপতির ছেলে ও আয়া পদে প্রধান শিক্ষক মনোনীত প্রার্থীকে টাকার বিনিময় নিয়োগ দিয়েছেন। আমরা এর প্রতিকার চাই।’
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক হীরা লাল রায়ের মোবাইলে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আজিজার রহমান বলেন, নিয়ম অনুয়ায়ী দুইজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া তিনি আর কিছু বলতে রাজি হয়নি।

লালমনিরহাট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন