ঢাকারবিবার , ২৭ জুন ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নাটোরে আজ মৃত্যু ৮ আক্রান্ত ২৩১ জন।

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
জুন ২৭, ২০২১ ১:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলী নাটোরঃনাটোরে করোনা সংক্রমণের হার আবারো বেড়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন, নাটোর সদর হাসপাতালে তিনজন ও উত্তর চৌকিরপাড় এলাকায় একজন। মোট ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে নাটোরে মৃত চারজনের মধ্যে দুজন করোনা পজিটিভ ছিলেন।

এ নিয়ে সরকারী হিসেবে নাটোর জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৮ জন। সদর হাসপাতালে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে নাটোর সদরের রয়েছে একজন। এছাড়া একজনের বাড়ি সিংড়ায় ও একজনের বাড়ি বড়াইগ্রামে।
এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ১৩১ জন আক্রান্ত হয়েছে।নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২৯৮ জনের। সংক্রমনের হার গত দিনের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪৩.৯৫ শতাংশ। জেলায় মোট আক্রান্ত ৩৪৬৯ জন।
সদর হাসপাতালের ৫০ শয্যার করোনা ইউনিটে রোগী ভর্তি রয়েছেন ৭০ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১৬৬৩ জন। এসবই এক ভয়াবহ পরিবেশের দিকে ইঙ্গিত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এছাড়া গতকাল লকডাউনের ঘোষণা শুনে বাজার ঘাট সমস্ত জায়গায় বেড়ে যায় মানুষের আনাগোনা। এদিকে নাটোরের সবগুলি পৌরসভায় চলছে লকডাউন। প্রশাসনের সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কোন কাজ হচ্ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে নাটোরের নাটোর ও সিংড়া পৌর এলাকায় তৃতীয় দফায় জেলার ৮টি পৌরসভা এলাকায় ৭ দিনের লকডাউন চলছে ঢিলেঢালা ভাবে।
আজ রবিবার ৫ম দিন সকাল ৬টা থেকে লকডাউন কার্যকর করতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যামান আদালত ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা মাঠে রয়েছে।

নাটোর পৌরসভা ও সিংড়া পৌরসভা এলাকায় তৃতীয় দফার এবং গুরুদাসপুর, গোপালপুর, বড়াইগ্রাম, বনপাড়া, বাগাতিপাড়া, নলডাঙ্গা পৌর এলাকায় লকডাউনের প্রথম দফার ৫য দিন রবিবার সকালে জনগনের চলাফেরা কম থাকতে দেখা গেছে।
তবে অনেকটাই ঢিলেঢালা হয়ে পড়ছে এই লকডাউন।প্রতিদিনই বেলা বাড়লে ইজিবাইকসহ ব্যাটারি চালিত হালকা যানবাহন ও রিক্সা চালকরা কোন তোয়াক্কা করছেন না ।
কাজের সন্ধানে বা অপ্রয়োজনে তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন। স্বাস্থ্যবিধিও মানছেন না এদের অনেকেই। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও ঔষধের দোকান ছাড়া অন্যান্য দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন