ঢাকাশনিবার , ১২ মার্চ ২০২২
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পঞ্চগড়ে ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
মার্চ ১২, ২০২২ ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টারঃ পূর্ব শত্রুতার জেরে ছাত্র নির্যাতনের ঘটনায় শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের প্রধানপাড়া এলাকার আফরোজা বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার মোছা.সেলিনা আক্তার মুক্তাসহ তিনজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন। সি আর ১৭১/২১। সেলিনা আক্তার মুক্তা নুনিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। আসিফ রানা মামলার বাদী মোছাঃ আফরোজার ছেলে ও প্রধান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র।

এজাহারে যা আছে, একই গ্রামের পাশাপাশি বাড়ি বাদী আফরোজা’র ছেলে আসিফ রানার সাথে ১নং আসামীর ছেলে সিয়ামের সাথে খেলাধুলার সময় অকারণে প্রায় সময় মারপিট করতো। এবিষয় গুলো নিয়ে আসামী তার ছেলেকে শাসন না করে উল্টো বাদীকে ভয়-ভীতি ও মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করেন।

তারই ফলশ্রুতিতে আসবাবপত্র ক্ষতিসাধন করার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ঘটনার দিন বাদীর ছেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একাকী দেখে আসামীগণ অবৈধভাবে পথরোধ করে খুন করার জন্য অপহরণ করে নিজ বাড়ীতে নিয়ে ঘরের ভিতরে হাত পা বেধে মারপিট করে। আসিফ রানা অচেতন হলে মৃত ভেবে ঘরের ভিতরে রেখে বাহির হতে তালা দেয়। সন্ধ্যা হয়ে গেলে বাড়িতে না আসলে বাদীসহ তার পরিবারের লোকজন খোজ করে, একপর্যায়ে জানতে পারে যে পাশের বাড়িতে আসিফ রানা কে বেধে রাখা হয়েছে। বাড়ির ভিতরে যেতে চাইলে আসামীরা বাধা দিলে বাদীসহ সাক্ষীগণের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। গ্রাম বাসী জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করলে ঘরের তালা খুলে দিলে এবং ঘরের ভিতর হতে আসিফ রানা কে উদ্ধার করে দ্রুত পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় ভাবে জানা যায় মামলার ১নং আসামী শিক্ষিকা সেলিনা আক্তার মুক্তা ঐ এলাকার প্রভাবশালী। মামলার বাদীর পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন সময় ঝগড়া বিবাদ হয়। তারই ফলশ্রুতিতে প্রতিবেশীদের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে বাদীর পরিবারের সাথে এই ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার ১নং আসামী সেলিনা আক্তার মুক্তা ঘটনার বিষয়ে প্রথমে অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে ঘটনার বিষয়টি স্বীকার করেন।

সাতমেরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন জানান, ঘটনা বিষয়টি আমি শুনেছি। যেহেতু আদালত পর্যন্ত গেছে এখন আদালতের বিষয়।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, বিচারক ভিকটিম কে স্বশরীরে দেখে বাদীর মামলা আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে সমন জারী করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন