ঢাকাবুধবার , ২২ ডিসেম্বর ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পঞ্চগড়ে কবরস্থানের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ডিসেম্বর ২২, ২০২১ ২:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার: পাঞ্চগড়ের কবরস্থানের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আনারুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ নিয়ে পঞ্চগড় সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করেছেন একটি পক্ষ।

বাদী পক্ষে রয়েছেন পুরাতন পঞ্চগড় এলাকার মৃত গফুর উদ্দীনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেনসহ তার ১৫ জন অংশী। অপরদিকে, বিবাদী পক্ষে রয়েছেন একই এলাকার শামসুল হকের ছেলে অভিযুক্ত আনারুল ইসলামসহ তার ২৭ জন অংশী।

অভিযোগ উঠেছে, আনারুল করতোয়া নদীর কোল ঘেষা পুরাতন পঞ্চগড় ওয়াপদা কবরস্থানের জানাজা নামাজের ১৬ শতক জায়গা অবৈধভাবে দখলে নিয়েছেন। প্রথমদিকে সেখানে রমরমা বালুর ব্যবসা চালালেও এখন শুরু করেছেন অবৈধ স্থাপনার কাজ।

আনারুলের দাবি, উত্তরাধিকার ও ক্রয় সূত্রে ওই জমির মালিক তিনি। কিনে নিয়েছেন তার অংশীদের কাছ থেকে।
মামলায় জানানো হয়, বাদী তোফাজ্জল হোসেনের বাবা মৃত গফুর উদ্দীন ও জনৈক ইসমাইল হোসেন ১৯৬৩ সালে মৌখিক ভাবে দখল হওয়া জায়গাসহ মোট ১ দশমিক ১৫ একর জমি কবরস্থানের জন্য দান করেন। তখন থেকেই জমির পূর্বাংশে কবর এবং দখল হওয়া অংশে জানাজার নামাজ পড়ানো হতো। পরবর্তীতে মোট জমির ১০ শতক নদী গর্ভে বিলীন হয়। ফলে দানকৃত জমির পূর্বাংশের একটি অংশ কবরস্থান হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হইলেও পশ্চিমাশের নালিশী ১৬ শতকসহ মোট ৬৭ শতক জমি ভুলবশত বিবাদীদের মৌরশ জামাল উদ্দীন, কামাল উদ্দীন, আমাল উদ্দীন খোসাদী মন্ডল ওরফে ফইমউদ্দীন এবং হাফিজ উদ্দীনদের নামে খতিয়ান এবং রেকর্ডভুক্ত হয়। নালিশী জমির পাশের দাগে তাদের জমি ছিলো। তবে তারা আরএস রেকর্ড প্রস্তুত হবার ৩০ বছর আগেই মারা গেছেন। কাজেই এটা অকার্যকরী এবং ফলবিহীন।

মামলায় আরো জানানো হয়, বিবাদী পক্ষের ২৭ জনের মধ্যে ১২ জনই এই জমি দাবি করেননা। এমনকি উল্লেখিত আমাল উদ্দীনের পরিবারের সকলকে সমাহিত করা হয়েছে এই কবরস্থানে।

মামলার বাদী তোফাজ্জল হোসেন জানান, আরএস রেকর্ড প্রস্তুত হয়েছে ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত। অথচ নালিশী জমি যাদের নামে রেকর্ড হয়েছে তারা রেকর্ড প্রস্তুতের ৩০ বছর আগে মারা গেছেন। মৃত্যুর ৩০ বছর পর মৃতদের নামে রেকর্ড জরিপ কর্মচারীর অজ্ঞতা এবং বে-আইনি।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে অভিযুক্ত আনারুল নিজেকে যুবলীগ সেক্রেটারি পরিচয় দেন। তিনি বলেন, এটা আমার রেকর্ডীয় জমি। কিছু মানুষ ঈর্ষান্বিত হয়ে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি এ. কে. এম আনোয়ারুল খায়ের বলেন, জমিটি প্রকৃত পক্ষে কবরস্থানের। ভুলবশত রেকর্ডভুক্ত হয়েছে মৃত ব্যক্তিদের নামে। বিষয়টি সুরাহার জন্য আদালতে মামলা চলছে। আমি বাদী পক্ষে আইনজীবি হিসেবে লড়ছি। আশা রাখি আমরা ন্যায় বিচার পাবো।

আপনার মন্তব্য লিখুন