ঢাকাসোমবার , ৩১ মে ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাবনায় মাদকসেবীদের ধরিয়ে দিতে গিয়ে নিজেই মাদকসেবীর করা মামলার আসামী হলেন এক যুবক

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
মে ৩১, ২০২১ ৭:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পাবনা জেলা প্রতিনিধি : পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা প্রবাসী ব‍্যবসায়ী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক হায়াত উল্লাহ মল্লিকের মৎস‍্য প্রকল্পে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক সেবনের আসর বসায় কিছু লোকজন। এমন ঘটনা দীর্ঘদিন যাবৎ ঘটে আসলেও হাতেনাতে ধরা খুব কঠিন হয়ে উঠেছিল। গত ১৯ মে ২০২১ ইং বুধবার রাত ৯টার দিকে হায়াত উল্লাহ মল্লিকের বড় ছেলে সাজ্জাদ হোসেন জনি জানতে পারে তাদের প্রজেক্টে বসে কয়েকজন মাদকসেবন করছে। পরে তিনি পাবনা থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেন সেইসাথে নিজেও ঘটনাস্থলে যান। জনি সেখানে গিয়ে দেখেন শংকরপুর,রুপপুর এলাকার মহসিন হোসেন রফিকের ছেলে মো: সাগর হোসেন (৩১) কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে মাদকসেবন করছে। পরে সাগরের সাথে থাকা যুবকদেরও পরিচয় জানা যায়। বাঙ্গাবাড়িয়া গ্রামের হামিদ হোসেনের ছেলে মান্নু (২৭), শংকুর গ্রামের ঝোড়পাড়া এলাকার আপাল হোসেনের ছেলে সজীব (৩২),বাবলুর ছেলে ডাবলু (৩৫)। এদের মাদকসেবনরত অবস্থায় দেখতে পেয়ে নিজের মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন জনি।মূহুর্ত্তের মধ‍্যে এ ঘটনা জানাজানি হলে সেখানে লোকজন জড়ো হয়।পরে স্থানীয় জনতা মাদকসেবীদের উত্তম মাধ‍্যমও দেন বলে জানান সাজ্জাদ হোসেন জনি।

জনি আরও জানান, এর কিছুক্ষণপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অনেকেই সেখান থেকে চলে যান। পুলিশ সদস‍্যরা সেখানে কিছু মাদক ও সেইসাথে সেবনের আলামতও পায়।

পরে পুলিশের উপস্থিতিতেই কৌশলে সেখান থেকে সটকে পড়েন সাগর।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মাদকসেবনরত অবস্থায় ধরা পড়া এই সাগরের নামে মাদক, হত‍্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এ ঘটনার পর মাদকসেবনরত অবস্থায় ধরা পড়া সাগরের মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে সাজ্জাদ হোসেন জনিসহ আরও কয়েকজনের নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার অভিযোগ সেদিন রাতে জনি ও তার লোকজন সাগরকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে টাকা ছিনতাই করে নেয় ও মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় পাবনা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনাটি বর্তমানে ঐ এলাকাসহ আশপাশের এলকায় বেশ আলোচিত। ঐদিন রাতে মাদকসেবনরত অবস্থায় ধরা পড়ার পরেও পুলিশের উপস্থিতিতে কিভাবে পালিয়ে গেল মাদকসেবন কারীরা আর সে ঘটনায় কেনইবা মামলা দায়ের হলোনা আর তারপরেই মাদকসেবনকারীদের বিরুদ্ধে তথ‍্য দেওয়া যুবকের নামে মামলা হওয়ায় নানা প্রশ্ন এখন জনমনে।

এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে মূল রহস‍্য উদঘাটন করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন ভূক্তভোগী যুবক সাজ্জাদ হোসেন জনিসহ অন‍্যান‍্যরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন