ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ জুলাই ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মোবাইল কোর্ট ব্যবহার হতে পারে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
জুলাই ১৩, ২০২১ ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিশেষ প্রতিনিধি | বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইনের ৭০(১) ধারায় মোবাইল কোর্টের ক্ষমতায়নের বিষয়টি অধিকার কর্মী এবং সাংবাদিকদের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন অধিকারকর্মী ও আইন বিশেষজ্ঞরা।

গত ১ জুলাই একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনে ৭০(১) ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

৭০(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোন ব্যক্তি যদি কোন যুক্তিযুক্ত কারণ ছাড়াই বার বার টেলিফোন কল করে যা অন্য প্রান্তের ব্যক্তির পক্ষে বিরক্তি বা অসুবিধার কারণ হয়ে থাকে তাহলে কলকারী ব্যক্তিকে এক লাখ টাকার বেশি জরিমানা এবং জরিমানা প্রদানের খেলাপি হলে ছয় মাসের বেশি অনাদায়ী কারাদন্ডে দন্ডিত হতে হবে’।

বিচার বিভাগকে দৃঢ়ভাবে আইনটি বিবেচনার আহবান জানিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, “আমি মোবাইল কোর্টের এ জাতীয় ক্ষমতায়নের কোনও যৌক্তিকতা খুঁজে পাই না। এটি উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে করা হয়েছে যা আইনটির অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। এটি নাগরিকদের অধিকারের জন্যও হুমকিস্বরূপ”।

বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শাহদীন মালিক বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিরক্তি বা অসুবিধা আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা যায় না। আইনটি সংজ্ঞায়িত না হওয়ার কারণে বিরক্তি বা অসুবিধার জন্য যে কারো বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে। ফলে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে এটির অপব্যবহার করা হবে’।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক মোঃ সাইমুম রেজা তালুকদার বলেছেন, হাইকোর্ট ইতোমধ্যে মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর এগারোটি বিভিন্ন ধারা এবং উপ-ধারাটিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, তবে হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ স্থগিত খারিজ করে দেয়।

সাইমুম রেজা বলেন, ‘সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এই ৭০ (১) ধারা সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহকে সীমাবদ্ধ করার সুযোগ তৈরি করতে পারে’।

কোন তথ্য সংগ্রহ বা যাচাই করার জন্য কোন সাংবাদিক যদি কোন সরকারী কর্মকর্তা বা রাজনৈতিক নেতার কাছে কয়েকবার ফোন করেন তখন নির্বিচারে তার বিরুদ্ধে এই আইন ব্যবহার হতে পারে বলেও যোগ করেন তিনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন