ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৮ নভেম্বর ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যানজটে দেরি: পরীক্ষা দিতে পারলেন না এসএসসি পরীক্ষার্থী সামিয়া!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
নভেম্বর ১৮, ২০২১ ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

শাহাদাৎ হোসেন,স্টাফ রিপোর্টারঃ নোয়াখালীতে পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি করায় সামিয়া সুলতানা শান্তা নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেননি কেন্দ্রসচিব।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) রসায়ন পরীক্ষার দিনে বেগমগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

ওই শিক্ষার্থীর মা ও তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দাবি- রাস্তায় যানজটের কারণে কেন্দ্রে পৌঁছাতে ১৫ মিনিট দেরি হয়েছে। কেন্দ্রসচিবকে বিষয়টি জানিয়ে অনুরোধ করা হলেও সামিয়াকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি।

তবে কেন্দ্রসচিব বলেছেন, সামিয়া প্রায় ৪০ মিনিট পর কেন্দ্রে পৌঁছায়। ফলে তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি তিনি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গনিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে সামিয়া সুলতানা শান্তা। মঙ্গলবার তার রসায়ন পরীক্ষা ছিল। বাসা থেকে বেরিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হওয়ায় কেন্দ্রসচিব ও বেগমগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মান্না তাকে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেননি।

সামিয়ার মা রাবেয়া সুলতানা বলেন, ‘আমার মেয়েটা কয়েকদিন ধরে অসুস্থ। এ শরীর নিয়ে মঙ্গলবার তাকে পরীক্ষা কেন্দ্রে নেওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হই। চৌমুহনীতে দীর্ঘ যানজটের কারণে কেন্দ্রে পৌঁছাতে প্রায় ১৫ মিনিট দেরি হয়। সেখানে যাওয়ার পর কেন্দ্রসচিব আবদুল মান্নান তাকে পরীক্ষা দিতে দেবেন না বলে জানান।’

তিনি বলেন, ‘পরে গনিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিজাম উদ্দিন ও ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি গোলাম ফারুক ভূঁইয়া কেন্দ্রসচিবকে পরীক্ষার অনুমতি দিতে অনুরোধ করেন। তবে তিনি কারও কথা রাখেননি।’

গনিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি গোলাম ফারুক ভূঁইয়া বলেন, ‘যানজটের কারণে ওই শিক্ষার্থীর কেন্দ্রে পৌঁছাতে ১৫-২০ মিনিট দেরি হয়েছে। তবে তার তো পরীক্ষা দেওয়ার অধিকার আছে। প্রধান শিক্ষককে আমরা সবাই অনুরোধ করেছি। তিনি কারও কথা রাখেননি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ওই শিক্ষার্থীকে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে দাবি জানাই।’

জানতে চাইলে কেন্দ্রসচিব আবদুল মান্নান বলেন, ‘ওই পরীক্ষার্থী ৪০ মিনিট পর কেন্দ্রে প্রবেশ করেছে। তাই তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি।’

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেন, ‘বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি টেলিফোনে আমাকে জানিয়েছেন। ওই শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে কেন্দ্রে প্রবেশ করেছে। তাই তাকে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।’

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার নিয়ম। তবে কেউ দেরি করে আসলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও দেরির কারণ কেন্দ্রসচিবকে জানাতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রসচিব দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন বোর্ডকে জানাবে। তবে দেরি করে এলে যে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না, এটা ঠিক নয়।’

আপনার মন্তব্য লিখুন