ঢাকাশনিবার , ৬ মার্চ ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজারহাটে আমের মুকুলের মৌ মৌ সুগন্ধিতে ভরে গেছে গাছ!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
মার্চ ৬, ২০২১ ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আনিসুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার।। বাংলাদেশে আম হলো ফলের রাজা এবং গাছ হলো জাতীয় আমগাছ। আম সাধারণত উষ্ণ ও অবউষ্ণম-লীয় অঞ্চলের জন্মে। ইন্দো-বার্মা অঞ্চলে আমের উৎপত্তিস্থল বলে ধারণা করা হয় তবে বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে আম সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল কারণ এ ফল বৈচিত্র্যপূর্ণ ব্যবহার, পুষ্টিমান ও স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয়।

আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই, ঘরের দিনে মামার দেশে আমি করাতে শুখ, পাকা আমের মধুর রসে রঙ্গিন করি মুখ,। পল্লী কবি জসিম উদ্দিনের মামার বাড়ী কবিতার সাথে পরিচিত নয় এমন মানুষ খুবই কম আছে। মানুষের জীবনে শৈশব স্মৃতির পাগল করা দিন গলির সাথেই যেন মিশে আছে নানার বাড়ীতে গিয়ে পাকা আম খাওয়ার স্মৃতি। মধু মাস আসলেই যেন চারদিকে আমের মৌ মৌ ঘ্রান।

নানান জাতের শুসাধু আমি খাওয়ার লোভ সবার মাঝে বিদ্যমান, ঋতু চক্রের পালা বদলে আবার আসছে মধু মাস। অপেক্ষা কেবল কিছু সময়ের। মধু মাসের আগমনী বার্তা নিয়েই যেন কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলায় মুকুলে ভরে গেছে আমের গাছ । হলদে বর্নের এই মুকুল গুলো যেন প্রকৃতিতে নিয়ে এসেছে বিপুল সোন্ধর্যের সমাহার, হৃদয় মাতানো এ দৃশ্য দেখে খুশিতে মাতোয়ারা ছোট কিশোর কিশোরীর দল সহ মৌ মৌ গন্ধে মধু সংগ্রহে মৌমাছিদেরও ছোটাছুটি শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে আম গাছের তদারকিতে ব্যস্ততা বাড়ছে আম চাষিরা।সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে উপজেলার আম গাছগুলোতে উপছে পড়ছে মুকুল। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ফাগুন মাসেই প্রতিটি আম গাছে পুরোপুরি ভাবে মুকুল ছেয়ে যাবে। যে কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর আমের ভালো ফলনের আশা করছেন তারা। এ অঞ্চলে দেশীয় আম গাছসহ ল্যাংড়া, ফজলী, হাড়িভাঙ্গা, বিভিন্ন জাতের আম চাষ করা হয়।এখানকার আম নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও বাণিজ্যিক ভাবে হাট-বাজারে বিক্রি করে অনেকেই।

এ বছর আম গাছে মুকুল বেশি দেখা যাচ্ছে। মুকুল ধরে রাখতে প্রতিটি গাছের পরিচর্চা করছে কৃষক-কৃষাণীরা।গেল বছরের চেয়ে চলতি মৌসুমে গাছে আমের মুকুল বেশি ধরেছে।উপজেলার কৃষি বিভাগ আম চাষিদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে।

এ বছর তীব্র শীতের কারণে একটু দেড়িতে আমের মুকুল বেড়িয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সব গাছে চলতি মাসের শেষের দিকে আমের মুকুল দেখা যাবে আশা করছে কৃষকরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন