ঢাকাসোমবার , ৮ নভেম্বর ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শক্ত অবস্থানে রেজা: দহবন্দে নৌকার গণজোয়ার!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
নভেম্বর ৮, ২০২১ ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাশেদুল ইসলাম রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ নির্বাচনের হাওয়া লাগা মাত্রই রাতের হালকা কুয়াশা আর আকাশের চোখ রাঙ্গানি দুপুরের রোদ উপেক্ষা করেই প্রচার প্রচারণায় মাঠ কাঁপাচ্ছেন দহবন্দ ইউনিয়নের নৌকার মাঝি রেজাউল আলম রেজা। আসন্ন তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও ক্লিন ইমেজের নেতা রেজাকে ঘিরেই সরগরম হয়ে উঠেছে গোটা দহবন্দ ইউনিয়ন।

দিন-ক্ষণ ঠিক হওয়া মাত্রই রেজার সমর্থকরা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে । অফিস, মহল্লা, চায়ের টেবিলসহ বিভিন্ন আড্ডায় আলোচনা হচ্ছে এক সময়ের তৃণমূল থেকে উঠে আসা ক্লিন ইমেজের নেতা রেজাকে নিয়ে। রেজার সমর্থকরা প্রচার চালাচ্ছে ফেসবুকেও।

এদিকে দহবন্দ ইউনিয়নে রেজার এমন জনপ্রিয়তা দেখে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন রেজাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার একাধিক শীর্ষ নেতারা জানান, অন্যান্য ইউনিয়নের তুলনায় রেজা আছেন আলোচনার চরম শীর্ষে। রেজার জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন তারা৷

অন্য দিকে, সরেজমিনে ঘুরে দহবন্দ বাসীর কাছে জানা যায় যে, এবারের নৌকার মাঝি রেজাউল আলম রেজাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান এলাকার সাধারণ জনগণ। বর্তমান সরকারের স্বপ্ন পূরণে দহবন্দের অভিভাবক হিসেবে রেজার বিকল্প নেই বলে জোরদার আলোচনা চলছে মহল্লার অলিতে গলিতে ।

আরো পড়ুনঃ উল্টে গেলো পাশা; ইউনিয়ন আ’লীগের সভায় নৌকার প্রার্থী রেজার নাম ঘোষণা!

এলাকাবাসী বিশ্বাস করেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকার চেয়ারম্যান রেজা নির্বাচিত হলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন হবে । রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণের নৌকার মনোনীত মাঝি হিসেবে রেজাউল আলম রেজা আগামীতে প্রতিনিধিত্ব করলে দহবন্দ ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক,সংগ্রামী জননেতা ও দহবন্দ ইউনিয়নের নৌকার মাঝি রেজাউল আলম রেজা বলেন, দেশ যে গতিতে এগিয়ে চলেছে, সে গতিতে দহবন্দ ইউনিয়নের উন্নতি হচ্ছে না। অনেকগুলো মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে এখনও ইউনিয়নবাসী বঞ্চিত। এ সব বিষয় আমাকে খুব পীড়া দিয়েছে।আমি মনে করেছি, এখানে আরও বৃহত্তর পরিসরে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা অনুযায়ী যেভাবে দেশ এগিয়ে যাবে, তার সাথে সাথে দহবন্দ ইউনিয়ন এগিয়ে যাবে বলে দাবী করেন তিনি ।

রেজা আরো বলেন, “আমি মনে করেছি, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে তিনি কয়েক বছরের মধ্যে একটি নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছেন এবং আমাদেরকে এখন রূপকল্প দিয়েছেন বাংলাদেশকে ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ একটি উন্নত বাংলাদেশ হবে। সেখানে উন্নত বাংলাদেশের অবহেলিত ইউনিয়নগুলোর জনপদের উন্নয়ন প্রয়োজন। সেটা হবে আমাদের উন্নত দহবন্দ । সেই উন্নত দহবন্দ ইতোমধ্যে কোনো চেয়ারম্যান করতে পারিনি।

❏ চার ভাগে উন্নয়ন পরিকল্পনা রেজারঃ…
চার ভাগে দহবন্দ ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা জানিয়ে সেগুলোর নাম প্রকাশ এবং ব্যাখ্যাও সাক্ষাৎকারে দিয়েছেন নৌকার মাঝি রেজা ।তিনি বলেন, এই চারটি বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে প্রণীত হবে আমার পথচলা ।

❏ ঐতিহ্যের দহবন্দ ইউনিয়ন: ঐতিহ্যের দহবন্দ ইউনিয়নের ব্যাখ্যায় রেজা বলেন, আমাদের দহবন্দ ইউনিয়ন সুন্দরগঞ্জ পৌর সভার কোলঘেসে । তাই পৌরসভার আদলে দহবন্দের ঐতিহ্য আমরা পুনরুজ্জীবিত করব এবং দহবন্দের স্বকীয়তাটাকে আমরা প্রস্ফুটিত করব, অপরূপটাকে প্রস্ফুটিত করব।”

❏ সুন্দর ইউনিয়ন পরিষদের জনপদ : সুন্দর দহবন্দ ইউনিয়নের নামে দ্বিতীয় ভাগের আওতায় ইউনিয়নের নাগরিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন রেজাউল আলম রেজা । তিনি বলেন, “সবুজায়ন করব, ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত খেলাধুলার জায়গা আমরা দেব। যাতে করে আমাদের নতুন প্রজন্ম খেলাধুলা করতে পারে, আমাদের মা-বোনেরা এবং বয়স্করা হাঁটাহাঁটি করতে পারে। আমরা অত্যাধুনিক দহবন্দ ইউনিয়নকে বাংলাদেশের একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলব। যা হবে আমাদের সুন্দর দহবন্দ ইউনিয়ন।

❏ সচল দহবন্দ ইউনিয়ন: রাস্তা,খাল,সাঁকো/কালভার্ট তৈরি ও মেরামতের জন্য স্থানীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করেন বলে জানান রেজাউল আলম রেজা।
পল্লীপূর্ত কর্মসূচী এবং কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচীসহ অন্যান্য কর্মসূচীর মাধ্যমে খাল খনন,পুনঃখনন এবং ভৌত অবকাঠামো তৈরিতে এতটুকু কমতি রাখব না আমি । রাস্তার পাশে বাতি জ্বালানো, গাছলাগানো,এলাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখাসহ যাতায়াতের রাস্তাঘাট উন্নতিকরণ ও পুনঃনির্মাণের ব্যবস্থার উন্নয়নেও ভূমিকা পাবে দহবন্দবাসী । দহবন্দ ইউনিয়ন এখন অচল হয়ে গেছে, সেটা আমরা সচল হিসাবে গড়ে তুলব।

❏ সুশাসন ও জনগণের খেদমত: উন্নয়ন পরিকল্পনার চতুর্থ ভাগে দুর্নীতিমুক্ত ও স্বায়ত্তশাসিত দহবন্দ ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেজা বলেন, পরিপূর্ণভাবে একটি দুর্নীতিমুক্ত, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলব অত্র ইউনিয়নকে ।আমরা আমাদের নিজের পায়ে দাঁড়াব এবং আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ থাকব না। দহবন্দবাসীর উন্নয়নের জন্য আমি দায়বদ্ধ থাকব। কাবিখা, টি,আর, অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান কর্মসূচীসহ দারিদ্রমুক্ত হবে দহবন্দ।

রেজাউল আলম রেজা আরো বলেন, আমি মনে করি অনেক ক্ষতি হয়েছে দহবন্দ ইউনিয়নের! জনগণ তাদের নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এটা আমরা আর বরদাশত করব না। ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে জনগণের পাশে থেকে খেদমত করব আমি।

রাশেদুল ইসলাম রাশেদ/আরইসআর

আপনার মন্তব্য লিখুন