ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৬ ডিসেম্বর ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার সময় আ’লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ: আহত ১০ জন!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ডিসেম্বর ১৬, ২০২১ ১২:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রবিউল ইসলাম,বগুড়াঃ বগুড়ার নন্দীগ্রামে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার সময় স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হন।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ভাঙচুর করা হয়েছে ৩০টির বেশি মোটরসাইকেল। এ ঘটনায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ উভয় দলই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে দায়ী করে বিজয় দিবসে উপজেলা প্রশাসনের কর্মসূচি বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। একই সময়ে বগুড়া-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে যান।

শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা দলীয় স্লোগান দিলে সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিএনপির নেতাকর্মীরা তড়িঘড়ি করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষ করে বাসস্ট্যান্ডে ফিরে আসেন। বিএনপি নেতাকর্মীরা একটি হোটেলে বসে নাস্তা করছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পমাল্য অর্পণ করতে আসেন এবং দলীয় স্লোগান দিতে থাকে। এদিকে হোটেলে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীরাও দলীয় স্লোগান দিতে শুরু করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায় তা সংঘর্ষে রূপ নিলে এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এ সময় কমপক্ষে ৩০টির বেশি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এ সময় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন বলেন, নন্দীগ্রাম থানার ওসির প্রত্যক্ষ মদদে আওয়ামী লীগ কোন প্রকার উসকানি ছাড়াই বিএনপির ওপর হামলা করে। তিনি বলেন, আমি এমপি হিসেবে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েও পাইনি। এ কারণে উপজেলা প্রশাসনের বিজয় দিবসের কর্মসূচি বর্জন করেছি।

তিনি আরও বলেন, হামলায় উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জহুরুল ইসলামসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে একজনকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

অপরদিকে নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপির লোকজন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিয়ে হোটেল থেকে আওয়ামী লীগ অফিসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের কোনও সহযোগিতা না পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রতিহত করতে গিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ৩ থেকে ৪ জন নেতাকর্মী আহত হন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি বহিরাগত লোকজন এনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিজয় দিবসের পরিবেশ নষ্ট করেছে। একারণে আমরা উপজেলা প্রশাসনের বিজয় দিবসের কর্মসূচি বর্জনের ঘোষণা দিয়েছি।

নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার পর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন