ঢাকারবিবার , ২৩ মে ২০২১
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শায়েস্তাগঞ্জে ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির বেহাল দশা

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
মে ২৩, ২০২১ ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জান্নাতুল কণা,স্টাফ রিপোর্টার।। বেহাল দশা হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার রেলওয়ে জংশন পুলিশ ফাঁড়ির ভবনটির। যেকোনো সময় ছাদের পলেস্তেরা ধসে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ভবনটিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ১৭ জন পুলিশ সদস্য।

ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এ ভবনটি সংস্কারে কর্তৃপক্ষের ভ্রুক্ষেপ না থাকায় দিনদিন অবস্থা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় ভবনটি ধসে ঘটতে পারে প্রাণহানি।

জানা যায়, ওই পুলিশ ফাঁড়িতে ১৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত। থাকার সুব্যবস্থা না থাকায় তারা স্টেশনের পরিত্যক্ত ভবনে বিশ্রামাগারে রাত্রিযাপন করেন।

এছাড়া, পুলিশ ফাঁড়িটিতে নেই কোনো শৌচাগারও। স্টেশনের বিশ্রামাগারের টয়লেট ব্যবহার করেন পুলিশ সদস্যরা। খাবার পানির চাহিদা পূরণ করা হয় আশপাশের এলাকা থেকে। গোসল সারতে হয় পার্শ্ববর্তী দিঘিতে গিয়ে। শতবর্ষী ভবনটির পেছন দিকের অবস্থা আরও খারাপ। নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সেখানে পানি জমে থাকে। এতে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি রোগ জীবাণুর জন্ম হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যা ওই সংশ্লিষ্ট এলাকার জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

২০০৪ সালে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয় করে শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনের আধুনিকায়নের কাজ হলেও অজ্ঞাত কারণে এই পুলিশ ফাঁড়িটির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ হয়নি।

এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন পুলিশ ফাঁড়ির (ইনচার্জ) এসআই মো. হারুন অর রশিদ বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখানে কাজ করছি। আমরা মানুষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত অথচ আমাদের কোনো নিরাপত্তা নাই।

তিনি জানান, এই ফাঁড়িতে আমরা ১৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত আছি। এখানে বিশ্রাম বা থাকার কোনো ব্যবস্থা নাই, টয়লেটও নাই, ওযু-গোসল ও খাবার পানির ব্যবস্থা না থাকায় আশপাশের টিউবঅয়েল থেকে পানি আনতে হয়।
বিষয়টি ঊদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সিলেটের রেলওয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ শরিফুল ইসলাম বলেন, ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত জরাজীর্ণ ভবন সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। নতুন ভবনের জন্য ইতোমধ্যে জায়গা নির্ধারন করা হয়েছে। হয়ত কিছুদিনের মধ্যেই বরাদ্দ পাওয়া যাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন