ঢাকাবুধবার , ১৬ মার্চ ২০২২
  1. Covid-19
  2. অপরাধ ও আদালত
  3. অর্থনীতি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম ডেস্ক
  6. কৃষি ও অর্থনীতি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. নির্বাচন
  12. বানিজ্য
  13. বিনোদন
  14. ভিডিও গ্যালারী
  15. মুক্ত মতামত ও বিবিধ কথা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংবাদ প্রচারের পর অবশেষে লালমনিরহাটের সেই সেচ পাম্পে পুনঃসংযোগ!

প্রতিবেদক
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
মার্চ ১৬, ২০২২ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আশরাফুল হক, লালমনিরহাটঃ ঘুষ দিয়েও বিচ্ছিন্ন সংযোগ সচল না করা সেই সেচ পাম্পে অবশেষে পুনঃসংযোগ দিয়েছে কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমতিতির আদিতমারী সাব জোনাল অফিস।

মঙ্গলবার(১৬ মার্চ) দুপুরে পুনঃ সংযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে সেচ পাম্প মালিক মোক্তার আলী বলেন, কোন শর্ত ছাড়াই সকালে বিদ্যুতের লোকজন এসে বিচ্ছিন্ন সংযোগটি চালু করে দিয়েছে। এর আগে গত ৩ মার্চ কোন কারন ছাড়াই ১১০ বিঘা জমির বোরো ক্ষেতে সেচ পাম্পের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আদিতমারী সাব জোনাল অফিস।

পুনঃসংযোগের দাবিতে সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের উত্তর গোবধা গ্রামের বোরো চাষিরা পানিশুন্য বোরো ক্ষেতের আইলে দাঁড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন। ভুক্তভোগী চাষিরা জানান, গত ২০১৮ সালে সেচ সংকট দূর করতে স্থানীয় কৃষক মৃত আসমত আলীর ছেলে মোক্তার আলী পল্লীবিদ্যুৎ অফিস আদিতমারীতে যোগাযোগ করে সেচ পাম্পের অনুমোদন নেন। নিজের টাকায় ট্রান্সফরমার ক্রয় করে সেচ পাম্পের সংযোগ নেন।

যার হিসাব নম্বর-০৭/২৬৫/১০১২। চলতি বোরো মৌসুমেও ওই সেচ পাম্পের আওতায় ১১০ বিঘা জমিতে বোরো চাষাবাদ করেন গ্রামের চাষিরা।

ঊর্ধ্বমুখী বাজারে নিজে না খেয়েও বোরো ক্ষেতে সার ও সেচ দেওয়াসহ নিয়মিত পরিচর্যা করছেন কৃষকরা। গত ৩ মার্চ সেই সেচ পাম্পের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আদিতমারী সাব জোনাল অফিসের ডিপুটি ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল। সংযোগ বিচ্ছিন্নের কারণ জানতে চাইলে সেচ পাম্প মালিক মোক্তার আলীকে অফিসে ডাকেন তারা। অফিসে গেলে একটি খাবার হোটেলে ডেকে নিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন ডিজিএম। ক্ষেত রক্ষায় ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েও মেলেনি পুনঃসংযোগ।

কৃষকদের এমন অভিযোগে গত ১১ মার্চ ঘুষ দিয়েও মেলেনি বিদ্যুৎ, সেচের অভাবে বোরো ক্ষেত চৌচির” শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যার তিন দিন পরে পুনঃসংযোগের দাবিতে বোরো ক্ষেতের আইলে মানববন্ধন করেন চাষিরা। এরপর টনকনড়ে বিদ্যুৎ বিভাগের। অবশেষে পুনঃসংযোগ পেয়েছে ১১০ বিঘা বোরো ক্ষেতে সেচ দেয়া সেচ পাম্পটি। সেচ পাম্প মালিক মোক্তার আলী বলেন, বিনা কারনে বিচ্ছিন্ন করা সেচ পাম্পে সকালে পুনঃসংযোগ দিয়েছে বিদ্যুতের লোকজন। সংযোগ পেলেও ঘুষের টাকা ফেরত পাইনি। কৃষকদের আন্দোলন ও প্রতিবেদন প্রকাশের পর আমি পুনসংযোগ পেয়েছি। ক্ষেতে পানি দিচ্ছি। চাষিরাও খুশি। তবে সংযোগ পেলেও ১৪ দিন পানিহীন বোরো ক্ষেতের যে ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপুরন চাই। এজন্য ঊর্দ্ধতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন